খু**নি, ফাঁ**সির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে “সাবেক প্রধানমন্ত্রী”, এবং “হাসিনা থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু থাকতো”।
মানে কী?
যে হাসিনা বছরের পর বছর গণতন্ত্রের গলা টিপে ধরে রেখেছিল, ভোটাধিকারকে মর্গে পাঠিয়েছিল, রাতের আঁধারে নির্বাচন করেছে, বিরোধী কণ্ঠকে গু*ম-খু*ন আর মামলা দিয়ে নিশ্চিহ্ন করেছে, দেশের ভেতরে লুটপাটের মহোৎসব চালিয়েছে, ব্যাংক লুট, জমি দখল এবং দলীয় ক্যাডার দিয়ে রাষ্ট্র চালিয়েছে — সেই হাসিনাই নাকি গণতন্ত্রের প্রতীক?
এখন সেই ব্যবস্থার সুবিধাভোগী বিএনপি, ফখরুলরা এই নতুন নাটক শুরু করেছে। জনগণকে আবার বোকা বানাতে চায়। শব্দ পাল্টাচ্ছে, ইতিহাস পাল্টাতে চায়।
এটা আজ পরিষ্কার, বিএনপি আর ফ্যাসিবাদের বিরোধী কোনো শক্তি না। তারা ফ্যাসিবাদের সফট সংস্করণ বিক্রি করতে চায়। “খারাপ ছিল, কিন্তু এতটা না” এই বয়ানটাই তাদের রাজনীতি।
দেশের মানুষ এটা জেনে রাখুক।
যে দল আজ হাসিনাকে “সাবেক প্রধানমন্ত্রী” বলে সম্মান দেয়, “গণতন্ত্র ছিল” বলে সাফাই গায়, তারা আসলে ভবিষ্যতের ফ্যাসিবাদের জন্য জমি তৈরি করছে।
ফ্যাসিবাদ সবসময় বন্দুক দিয়েই আসে না।
অনেক সময় আসে বিএনপির মতো দলের নেতার মুখে বলা মিথ্যে, পরিমিত ভাষা আর সাজানো স্মৃতির ভেতর দিয়ে।