শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। একই ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের ফাতেমা তাসনিম জুমা (মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক, ডাকসু), শান্তা আক্তার (সদস্য, জকসু), সালাউদ্দীন আম্মার (জিএস, রাকসু) সহ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ওসমান হাদী হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে সরকার এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। বরং বিচারের দাবিতে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের ওপর গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
এ ধরনের হামলাকে নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন কার নির্দেশে এবং কার মদদে এই হামলা সংঘটিত হলো? একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়ার অধিকার কি এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে যে তা দমন করার জন্য সহিংসতার আশ্রয় নিতে হচ্ছে?
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা যে কোনো রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। তাই ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনাও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করা জরুরি। সত্য উদ্ঘাটন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়বে।