সালাহউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ব্যর্থ

অপরাধ বেড়েছে – এজন্য না। অপরাধ আসলেই বেড়েছে কি না বা কতটুকে বেড়েছে, সেটা স্ট্যাটিস্টিক্স না দেখলে বোঝা যাবে না।

কিন্তু মানুষের মধ্যে অপরাধ বাড়ার পার্সেপশন বেড়েছে। মানুষের মধ্যে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে, দেশে যা খুশি তা করা যায়, এবং সেটার বিচার হয় না।

এই ধারণা এমনভাবে বেড়েছে, মানুষ এখন গণপিটুনি দিয়ে সন্দেহভাজনকে মেরে ফেলছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে পুলিশের উপর পাথর মেরে তাদেরকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করছে।

এবং এত কিছুর পরেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এইসব ব্যাপারে সিরিয়াস, শক্ত বা আশাজাগানিয়া কোনো বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে না।

ইউনুসের আমলে সমালোচনার মুখে স্বরাষ্ট উপদেষ্টা রাত তিনটার সময় সংবাদ সম্মেলন ডাকতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু সালাহউদ্দিন আহমেদকে এখনও রিল্যাক্স ভঙ্গিতে সংসদে আরবি-হিন্দি-ফারসিতে শের আউড়াতে দেখা যাচ্ছে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মানুষের পার্সেপশন যদি এই পর্যায়ে যায়, এবং তারপরেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো বিকার না ঘটে, সেটা দেশের ভবিষ্যতের যদি ভালো কিছু হবে না। দেশী-বিদেশী বিভিন্ন শক্তি এটাকে বিভিন্ন অসৎ উদ্দেশ্যে কাজে লাগাতে পারবে।

তারেক রহমানের উচিত সালাহউদ্দিন আহমেদকে প্রেসিডেন্ট পদে বা অন্য কোনো সম্মানজনক পদে মনোনয়ন দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়টাকে তার হাত থেকে মুক্ত করা।