Blog

Home > Blog

বাউলদের উপর হামলা: আমাদের সহনশীলতার সংকটই কি বড় বিপদ?

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে বাউলরা শুধু একজন শিল্পী নন—তারা মানবতা, সাম্য, ভালোবাসা ও মুক্তচিন্তার জীবন্ত প্রতীক। লালন থেকে শুরু করে আজকের নতুন প্রজন্মের বাউলগান—এসব কিছুই আমাদের হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্যকে ধারণ

পুনরুত্থানের পথে ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা

ধমভিত্তিক সন্ত্রাস, যাকে সাধারণত ‘জঙ্গি’ বলা হয়। বাংলাদেশে ছিনতাইসহ অন্যান্য সন্ত্রাসের বিস্তার থাকলেও আমরা স্বভাবতই ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাস নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। তার কারণ, এটি মতাদর্শের ভিত্তিতে (আইডিওলজিক্যাল) সংঘটিত হয়। একসময়ের বাম

নারীর ৫ ঘন্টা কর্মঘণ্টা , পেছনের রাজনীতিটা আসলে কী?

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মধ্যরাতে এই নারী শিক্ষার্থীদের সাহস ও স্লোগানে যখন রাজপথ কাঁপছিল, তখন এই নারীদেরই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নানা ‘প্রতিকূলতা’র মধ্য দিয়ে

নারী, বন্দী ‘কারাগারে’…মুক্তি কোথায় ?

নারীর মুক্তি দরকার—কথাটা বললে এটা স্বীকার করে নেওয়া হয় যে ‘নারী বন্দী’। এরপর প্রশ্ন আসে, নারী বন্দী কার কাছে? নারী কি শুধুই পুরুষের কাছে বন্দী, নাকি সে নিজের কাছেও বন্দী?

বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রতা: প্রেক্ষাপট, কারণ ও সম্ভাব্য সমাধান

বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় উগ্রতা একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রবণতা কেবল সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য

বাংলাদেশে মাজার ভাঙচুর: আমাদের ঐতিহ্যের ওপর আঘাত

বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে মাজার অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে। সুফি সাধক ও অলিদের মাজার কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জায়গা নয়, বরং এগুলো ছিল এদেশে ইসলামের বিস্তার, লোকসংস্কৃতির বিকাশ এবং সামাজিক সহাবস্থানের

আজ ডাকসুতে যারা জিতবে, তারা কীভাবে দায়িত্ব নেবে এবং যারা হারবে, তারা কীভাবে পরাজয় গ্রহণ করবে, এই দুইটি প্রশ্নের উত্তর বলে দিবে আমাদের জাতীয় রাজনীতি ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিজেদের প্রভাব দেখিয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পেশিশক্তি, জনশক্তি এবং সংগঠিত উপস্থিতির মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার যে চেষ্টা চলছে, তা

একাত্তর বেহাত হয়ে যাওয়া মানে পরাধীনতা?

এবার আসেন পরাধীনতার অর্থটা একটু আরেকবার পাঠ করি। দেশে কে নির্বাচনে যাবে কে যাবেনা এটা যখন অন্য আরেকটা দেশ নির্ধারণ করতে শুরু করে, তখন তাকে পরাধীনতা বলে। আপনার মন্ত্রী সভায়

দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকার শানিত শপথ নিতে হবে। রুখে দিতে হবে জুলাই ম্যাসাকার চালানো কসাইদের।

আপনি যদি ১৫ই আগষ্টে শেখ মুজিবর রহমানকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্মান জানানোটা খালি চোখে দেখেন তাহলে মনে হবে এটি হয়তো তার ১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামে অবদানের জন্য। কিন্তু

এখনো সময় আছে, সচেতন হোন, বাংলাদেশের স্বার্থে একতাবদ্ধ থাকুন।

নেতৃত্বশূন্য একটা রাষ্ট্রের যে দশা হয়, বাংলাদেশের হয়েছে সেই একই অবস্থা। শূন্য স্থান যাদের পূরণ করার কথা, তাঁদের বেশিরভাগই পথভ্রষ্ট হয়েছেন। যারা জাতীয় নেতা তাঁরাও উদ্ভট এই পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট

দেশ নিয়ে, রাজনীতি নিয়ে কেউ স্বপ্নের কথা বলতে আসলেই আমার ভয় হয়, আমি বলি, রান ফরেস্ট, রান!!

লোকটার একমাত্র অপরাধ, আজ বিকেলে সে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিউজ করেছিল। এই মুহুর্তে লোকটা মরে পড়ে আছে গাজীপুর চৌরাস্তায়। হয়তো বিকেলেও লোকটা ভাবছিল, দেশটাকে উন্নত করবে, চাঁদাবাজি বন্ধ করবে। বিকেল থেকে

ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িকে সমর্থন করে না ইসলাম

ইসলামের মূল উৎস কোরআনে কারিম এবং হাদিস পরধর্মের মানুষকে আপনের চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা ও সম্মান করার কথা বলেছে। ইতিহাস সাক্ষী, আমরা দেখেছি শেষ নবী হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আপনজনের অনেকেই ছিল