নারী, বন্দী ‘কারাগারে’…মুক্তি কোথায় ?
নারীর মুক্তি দরকার—কথাটা বললে এটা স্বীকার করে নেওয়া হয় যে ‘নারী বন্দী’। এরপর প্রশ্ন আসে, নারী বন্দী কার কাছে? নারী কি শুধুই পুরুষের কাছে বন্দী, নাকি সে নিজের কাছেও বন্দী?
নারীর মুক্তি দরকার—কথাটা বললে এটা স্বীকার করে নেওয়া হয় যে ‘নারী বন্দী’। এরপর প্রশ্ন আসে, নারী বন্দী কার কাছে? নারী কি শুধুই পুরুষের কাছে বন্দী, নাকি সে নিজের কাছেও বন্দী?
বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় উগ্রতা একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রবণতা কেবল সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য
বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে মাজার অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে। সুফি সাধক ও অলিদের মাজার কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জায়গা নয়, বরং এগুলো ছিল এদেশে ইসলামের বিস্তার, লোকসংস্কৃতির বিকাশ এবং সামাজিক সহাবস্থানের
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিজেদের প্রভাব দেখিয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পেশিশক্তি, জনশক্তি এবং সংগঠিত উপস্থিতির মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার যে চেষ্টা চলছে, তা
এবার আসেন পরাধীনতার অর্থটা একটু আরেকবার পাঠ করি। দেশে কে নির্বাচনে যাবে কে যাবেনা এটা যখন অন্য আরেকটা দেশ নির্ধারণ করতে শুরু করে, তখন তাকে পরাধীনতা বলে। আপনার মন্ত্রী সভায়
আপনি যদি ১৫ই আগষ্টে শেখ মুজিবর রহমানকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্মান জানানোটা খালি চোখে দেখেন তাহলে মনে হবে এটি হয়তো তার ১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামে অবদানের জন্য। কিন্তু
নেতৃত্বশূন্য একটা রাষ্ট্রের যে দশা হয়, বাংলাদেশের হয়েছে সেই একই অবস্থা। শূন্য স্থান যাদের পূরণ করার কথা, তাঁদের বেশিরভাগই পথভ্রষ্ট হয়েছেন। যারা জাতীয় নেতা তাঁরাও উদ্ভট এই পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট
লোকটার একমাত্র অপরাধ, আজ বিকেলে সে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিউজ করেছিল। এই মুহুর্তে লোকটা মরে পড়ে আছে গাজীপুর চৌরাস্তায়। হয়তো বিকেলেও লোকটা ভাবছিল, দেশটাকে উন্নত করবে, চাঁদাবাজি বন্ধ করবে। বিকেল থেকে
ইসলামের মূল উৎস কোরআনে কারিম এবং হাদিস পরধর্মের মানুষকে আপনের চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা ও সম্মান করার কথা বলেছে। ইতিহাস সাক্ষী, আমরা দেখেছি শেষ নবী হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আপনজনের অনেকেই ছিল
যেসব কথা ঘুরতেছে, যে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন আপনাকে জঙ্গি ট্যাগ দেবে। তা ভাই, গত ১৭ বছর দেশে জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে কম মানুষ মারছে? কারা মারছে? জাতিসংঘের কমিশন তো ছিল না
গোপালগঞ্জে লীগের তাণ্ডব; ইন্টেরিম ও অন্যরা? ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ দিক *** (১) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় থাকলেও, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্তরে এখনো শেখ হাসিনার আমলের নিয়োগপ্রাপ্তরা রয়ে গেছেন। ফলে তাদের “গোপন লয়ালটি”
সম্প্রতিকালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যে যুদ্ধ-বিবাদ লেগে আছে তা দুটো ভিন্ন কারণের উপর ভিত্তি করে; ধর্মীয় উগ্রবাদ অথবা উগ্র জাতীয়তাবাদ।১৯৪৭-এ ভারতীয় উপমহাদেশেও বিভাজন হয়েছিল ধর্মের উপর ভিত্তি করে। বর্তমানে ভারতীয়