একটি উস্কানিমূলক উল্লাস, এবং আসন্ন অশুভ সংকেত
নিঝুম মজুমদারের কণ্ঠে সুরাহ রহমানের বিখ্যাত আয়াত জপ করে হাদির মৃত্যুকে প্রায় উদযাপন করা—কি ভয়ংকর হঠকারিতা। কিংবা আনিস আলমগীরের নেহারি খেতে খেতে হাদির ওপর সংঘটিত এই ন্যাক্কারজনক হামলাকে এক ধরনের
নিঝুম মজুমদারের কণ্ঠে সুরাহ রহমানের বিখ্যাত আয়াত জপ করে হাদির মৃত্যুকে প্রায় উদযাপন করা—কি ভয়ংকর হঠকারিতা। কিংবা আনিস আলমগীরের নেহারি খেতে খেতে হাদির ওপর সংঘটিত এই ন্যাক্কারজনক হামলাকে এক ধরনের
বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ আব্দুল্লাহ ভাইয়ের সঙ্গে অতীতে ঘটে যাওয়া যে কোন অবমাননাকর বা ঘৃণ্য আচরণ—তা ব্যক্তি হিসেবে হোক বা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে—গভীর উদ্বেগ এবং তীব্র
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে বাউলরা শুধু একজন শিল্পী নন—তারা মানবতা, সাম্য, ভালোবাসা ও মুক্তচিন্তার জীবন্ত প্রতীক। লালন থেকে শুরু করে আজকের নতুন প্রজন্মের বাউলগান—এসব কিছুই আমাদের হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্যকে ধারণ
ধমভিত্তিক সন্ত্রাস, যাকে সাধারণত ‘জঙ্গি’ বলা হয়। বাংলাদেশে ছিনতাইসহ অন্যান্য সন্ত্রাসের বিস্তার থাকলেও আমরা স্বভাবতই ধর্মভিত্তিক সন্ত্রাস নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। তার কারণ, এটি মতাদর্শের ভিত্তিতে (আইডিওলজিক্যাল) সংঘটিত হয়। একসময়ের বাম
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মধ্যরাতে এই নারী শিক্ষার্থীদের সাহস ও স্লোগানে যখন রাজপথ কাঁপছিল, তখন এই নারীদেরই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নানা ‘প্রতিকূলতা’র মধ্য দিয়ে
নারীর মুক্তি দরকার—কথাটা বললে এটা স্বীকার করে নেওয়া হয় যে ‘নারী বন্দী’। এরপর প্রশ্ন আসে, নারী বন্দী কার কাছে? নারী কি শুধুই পুরুষের কাছে বন্দী, নাকি সে নিজের কাছেও বন্দী?
বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় ধর্মীয় সম্প্রীতির ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় উগ্রতা একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রবণতা কেবল সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য
বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে মাজার অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে। সুফি সাধক ও অলিদের মাজার কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জায়গা নয়, বরং এগুলো ছিল এদেশে ইসলামের বিস্তার, লোকসংস্কৃতির বিকাশ এবং সামাজিক সহাবস্থানের
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিজেদের প্রভাব দেখিয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পেশিশক্তি, জনশক্তি এবং সংগঠিত উপস্থিতির মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার যে চেষ্টা চলছে, তা
এবার আসেন পরাধীনতার অর্থটা একটু আরেকবার পাঠ করি। দেশে কে নির্বাচনে যাবে কে যাবেনা এটা যখন অন্য আরেকটা দেশ নির্ধারণ করতে শুরু করে, তখন তাকে পরাধীনতা বলে। আপনার মন্ত্রী সভায়
আপনি যদি ১৫ই আগষ্টে শেখ মুজিবর রহমানকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্মান জানানোটা খালি চোখে দেখেন তাহলে মনে হবে এটি হয়তো তার ১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামে অবদানের জন্য। কিন্তু
নেতৃত্বশূন্য একটা রাষ্ট্রের যে দশা হয়, বাংলাদেশের হয়েছে সেই একই অবস্থা। শূন্য স্থান যাদের পূরণ করার কথা, তাঁদের বেশিরভাগই পথভ্রষ্ট হয়েছেন। যারা জাতীয় নেতা তাঁরাও উদ্ভট এই পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট