ডক্টর ইউনূস গতকাল একটা রেড লাইন ক্রস করেছেন।
উনি বলেছেন, আওয়ামীলীগ ইলেকশনে আসবে কি না, এইটা তারা ডিসিশন নেবে। এই কথা বলার কোন অধিকার ডক্টর ইউনূসের নাই। কারণ, আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না, সেই ডিসিশন এই দেশের
“In the darkness of the mind, every piece of knowledge is a treasure, but not all are illuminating lights! Only ‘thought’ can enlighten this rich yet dark state.”
উনি বলেছেন, আওয়ামীলীগ ইলেকশনে আসবে কি না, এইটা তারা ডিসিশন নেবে। এই কথা বলার কোন অধিকার ডক্টর ইউনূসের নাই। কারণ, আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না, সেই ডিসিশন এই দেশের
পুঁজিবাদ সম্প্রসারণে ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা খুবই সহায়ক হয়েছিলো। আর উপনিবেশগুলোতে রাজনৈতিক ক্ষমতা সম্প্রসারণে মিশনারীদের বিভিন্ন মাত্রার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো, ভূমিকা ছিলো স্থানীয় ধর্মীয় নেতা ও ক্ষমতাবানদেরও। আবার ঔপনিবেশিক শাসন বিরোধী ভূমিকাতেও মিশনারী ও স্থানীয় কোনো কোনো ধর্মীয় নেতার ভূমিকাও দেখা গেছে। উত্তর উপনিবেশকালে প্রান্তস্থ দেশগুলোতে খুঁটি ধরে রাখতে, সমাজতন্ত্র ঠেকাতে পুঁজিবাদী কেন্দ্র বা সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো ধর্মীয় শক্তি ব্যবহারে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। মূলধারার চার্চ সাম্রাজ্যবাদের খুঁটি হিসেবেই বরাবর ভূমিকা পালন করেছে। একদিকে মুসলিম রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখা অন্যদিকে ইহুদীবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতার মধ্য দিয়ে তেলসমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদ নিজেদের দীর্ঘমেয়াদী অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে। মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে ইসলামপন্থী দল ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে সমাজতন্ত্র বিরোধী আতঙ্ক সৃষ্টি করবার কাজ সহজ ছিলো। বস্তুত এই ধর্মপন্থীরা এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকায় সামরিক বেসামরিক স্বৈরশাসকদের সমর্থন দেবার মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্যের পথও সুগম করেছে। ৮০ দশক থেকে ইসলামী ‘মৌলবাদী’ তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার সাথে প্রান্তস্থ দেশগুলোতে বিপন্নদশা ও সাম্রাজ্যবাদ নিয়ন্ত্রিত বিশ্ব রাজনীতি সম্পর্কিত। যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ৮০ দশক পর্যন্ত ধর্মপন্থী শক্তিগুলোকে সমাজতন্ত্র ও সবরকম মুক্তির লড়াই–এর বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছে। এই পর্যায়ের সর্বশেষ বড় উদাহরণ আফগানিস্তান। প্রথমে মুজাহেদীনদের মাধ্যমে আফগানিস্তানে সোভিয়েত সমর্থিত সরকার উচ্ছেদ করে যুক্তরাষ্ট্র। সেইসময় আফগান মুজাহেদীনদের সবরকম পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে তারা। প্রশিক্ষণ দিয়েছে, অস্ত্র দিয়েছে, অর্থ দিয়েছে। অর্থ দিয়েছে সৌদী আরবও। ইউএসএইড সরবরাহ করেছে ইসলামী উন্মাদনা সৃষ্টির মতো বই, শিশুদের পাঠ্যপুস্তক। যার মধ্যে সোভিয়েত সৈন্যের চোখ উপড়ে ফেললে বেহেশতে যাবার প্রতিশ্রুতিও ছিলো। সিআইএ–র এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠের ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। সামরিক শাসনের মাধ্যমে জেনারেল জিয়াউল হকের মতো একজনকে অধিষ্ঠিত করা সেসময় যুক্তরাষ্ট্রের খুব কাজে দিয়েছে। একপর্যায়ে আকস্মিকভাবে বিশাল শক্তি নিয়ে উদিত হয় তালিবান। মুজাহিদীনদের বিরুদ্ধে যাদের অস্ত্র, সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ এবং কৌশলগত সমর্থন সবই যোগান দিয়েছে সেই যুক্তরাষ্ট্রই। তালেবানরা আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের সূচনা করে ১৯৯৭ সালের ২৪ মে। ঠিক তার আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ব্যবসা জগতের মুখপাত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আফগানিস্তান নিয়ে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশ করে। সেখানে
দেশের বর্তমান সমস্যার অর্ধেকের দায় কেবলই একজন Dr. Asif Nazrul এর। আর বাকি অর্ধেক সবকিছু মিলিয়ে। অর্থাৎ আসিফ নজরুল কে লা*ত্থি দিয়ে সরিয়ে দিলে দেশের অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
আওয়ামীলীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে! কিন্তু শুধু নিষিদ্ধের দাবি তোলাটা যথেষ্ঠ নয়। কেনো যথেষ্ট নয় সেই শিক্ষা আমাদের হাড়ে হাড়ে হয়েছে। কিভাবে? নির্বাহী আদেশে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করার পরে। আমরা দেখেছি
একটি খবর আপনাদের নজর এড়িয়ে গেছে হয়তো। চাদপুর কারাগারে একটি কক্ষ আধুনিকায়ন হচ্ছে। সেখানে টাইলস লাগানো হচ্ছে, হাইকমোড লাগাচ্ছে। এসিও লাগাবে নিশ্চয়ই এই উন্নয়নের কারণ হলো- চাদপুর কারাগারে সাবেক অবৈধ
পুঁজির মালিকরা এই সুযোগে ভালো মুনাফা করে নিয়েছেন। আবার করোনাকালেই তো বোঝা গেল অত্যাশ্চর্য উন্নতি ও উদ্ভাবনের ভেতরে স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা কতটা নাজুক। গরিব দেশে তো অবশ্যই, ধনী দেশেও। এবং এরই
মানে হলো আরো একজন হাসিনা লোডিং। অথচ এতো এতো রক্ত দেওয়ার পর আমাদের আশা ছিলো, অন্তত আর কিছু না হোক, দুর্নীতি না কমুক, অন্তত আরেকজন হাসিনা যাতে না হয়, সেই
আধুনিক সমাজে ফ্যাসিবাদ : একটি উদ্বেগজনক বাস্তবতা ফ্যাসিবাদ একটি জটিল রাজনৈতিক দর্শন, যা একক ব্যক্তির চিন্তাধারার ফসল নয়। বরং এটি বিভিন্ন দার্শনিক, রাজনীতিবিদ এবং সমাজতাত্ত্বিকের ধারণার সংমিশ্রণ। ফ্যাসিবাদের মূল ধারণাগুলো
প্রধান উপদেষ্টা জনাব ইউনুস সাহেব আজকে চাটগাইয়া ভাষায় বক্তৃতা দিছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আজকে রোজা রাখছিলেন। ওনার কথা হইতেছে ইফতার করবো কিন্তু রোজা রাখবো না এটা কেমন কথা? আরাকান হচ্ছে দক্ষিণপূর্ব
যেইটা দেখে আমরা সবাই আতঙ্কিত হয়ে গেলাম। সবচে বেশি আতঙ্কিত হয়েছিলো বিএনপির ভাই ব্রাদাররা। ইউনূস অথর্ব। ইউনূস খারাপ। ইলেকশন দিয়ে সরে যাক। তারপর আমরা দেখাবো… তো অথর্ব ইউনূস সেই
মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা শুধু বাংলাদেশ কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার সমস্যা নয়, সমগ্র বিশ্ব আজ জঙ্গী মৌলবাদী সন্ত্রাসের হিংস্র থাবায় ক্ষতবিক্ষত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশে উপনিবেশবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অধিকারবঞ্চিত
বাজি ধরে বলতে পারি, এই লেখাটার শিরোনাম দেখেই বিরাট একটা অংশের মানুষ রিলাকটেন্ট হয়ে যাবে এই সন্দেহে যে এটি আসলে কাদের পক্ষে লেখা হয়েছে? প্রগতিশীলদের পক্ষ নিয়ে না র্ধমীয় মৌলবাদীদের
তোফায়েল আহমদ
সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার, জঙ্গীবাদ ও অনৈতিকতার এক অদম্য(অপ্রতিরোধ্য) ব্লগার লেখক ও সাংবাদিক ।ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোষ উন্মোচন ও ধর্মান্ধতার কবলে পড়ে সমাজ ও জনজীবন বিধ্বংসকারী কার্যকলাপ থেকে মানুষকে রক্ষা করাই তার লেখার মূল ভাষ্য।।ব্লগার, লেখক ও সাংবাদিক তোফায়েল আহমদ, পিতা- আলী আহমদ ,মাতা-সফতেরা এর কনিষ্ঠ সন্তান। ১৯৯৭ সালের ২৯ ই মার্চ সিলেট জেলার সদর উপজেলার, ১ নং জালালাবাদ ইউনিয়নের রায়ের গাও গ্রামের এর একটি সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।পিতা আলী আহমদ ছিলেন এলাকার একজন সুনামধন্য ব্যাবসায়ী এবং মাতা সফতেরা গৃহিণী।
২০২০ সালে মদন মোহন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যুক্তিবিদ্যা বিভাগে (স্নাতক) পাশ করেন। স্কুল জীবন থেকেই তার মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। স্নাতক এ লেখা পড়ার পাশাপাশি ২০১৯ সালে তিনি সিলেটের সুনামধন্য পত্রিকা www.sonarsylhet.com এ রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন, এবং ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ব্লগের মাধ্যমে ধর্মীয় কুসংস্কার, ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি শুরু করেন। একাধারে তিনি তার ব্লগে প্রকাশিত করেন অসংখ্য অগ্নিঝরা প্রতিবাদী লেখা।
এছাড়াও তিনি অবদান রাখেন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে।পাশাপাশি তিনি ব্লাড সোলজার নামে একটি সংঘটনের সাথে যুক্ত আছেন যারা সমাজের অসহায় মানুষগুলোর বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতামূলক কাজ করে থাকে।