বড়দের রাজনীতি, ছোটদের মৃত্যু
২০২২ সালে বিল গেটস একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন—হোয়াই ডু চিলড্রেন ডাই? প্রবন্ধের এক জায়গায় তিনি লিখেছিলেন, ‘হ্যাঁ, এটা সত্য, এখনো বিশ্বে শিশুরা নানা রকম রোগবালাইয়ে মারা যায়, কিন্তু এটা একটা খণ্ডিত
২০২২ সালে বিল গেটস একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন—হোয়াই ডু চিলড্রেন ডাই? প্রবন্ধের এক জায়গায় তিনি লিখেছিলেন, ‘হ্যাঁ, এটা সত্য, এখনো বিশ্বে শিশুরা নানা রকম রোগবালাইয়ে মারা যায়, কিন্তু এটা একটা খণ্ডিত
ভোলার বিবি সাওদা (৩৭) একজন সাধারণ নারী, যিনি ফেসবুকে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি ও রাষ্ট্রীয় বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর “অপরাধ” সরকারের নীতির সমালোচনা। গত ০৫-০৬ এপ্রিল ২০২৬ রাতে ভোলা সদর
৪০ জনের বেশি যাত্রী নিয়ে একটি বাস পদ্মায় ডুবে গেছে। এখন পর্যন্ত মাত্র দুজনকে উদ্ধার করা গেছে। বাকিরা অজানা। এই “অজানা” শব্দটাই সবচেয়ে ভয়ংকর। আমরা জানি না তারা বেঁচে আছে
বাংলাদেশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা কতটা নিরাপদ, তা সাম্প্রতিক শ্যামনগরের ঘটনা একবারই মনে করিয়ে দিয়েছে। সম্প্রতি শ্যামনগরের প্রেসক্লাবে ঢুকে এক সাংবাদিককে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন
বিএনপি সংবিধান মাইনা শুরু করতে চাইসে। যদি তাই হয়, তাইলে সবকিছুতেই সংবিধান, বিধিবিধান মাইনাই চলা লাগবে। সুবিধামত সংবিধান আর অসুবিধায় চিপা রাস্তা খুঁজতে চাইলে তারেক রহমানও চিপায়ই পড়বেন। আহসান এইচ
শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা
জুলাই–আগস্টে দুই হাজার মানুষের শাহাদাতের পর, একটি ভয়ংকর স্বৈরতন্ত্রের পতনের মধ্য দিয়ে আমরা ভেবেছিলাম এবার হয়তো রাজনীতি একটু মানবিক হবে। অন্তত রাজনীতি করতে গিয়ে কাউকে আর খুন হতে হবে না।
খু**নি, ফাঁ**সির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে “সাবেক প্রধানমন্ত্রী”, এবং “হাসিনা থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু থাকতো”। মানে কী? যে হাসিনা বছরের পর বছর গণতন্ত্রের গলা টিপে ধরে রেখেছিল, ভোটাধিকারকে মর্গে পাঠিয়েছিল, রাতের আঁধারে
বিশ্ববিদ্যালয় মানেই জ্ঞানচর্চা, মতের স্বাধীনতা এবং নিরাপদ সহাবস্থান। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বারবার দেখা যাচ্ছে—এই আদর্শ জায়গাটিই রাজনৈতিক দাপট, শক্তি প্রদর্শন এবং মানবিক অবমূল্যায়নের মঞ্চে পরিণত হচ্ছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাহিমা আক্তারকে
কোরবানির আগে যেমন প্রস্তুত করা হয়, ফয়সালকেও প্রস্তুত করা হচ্ছে। আমরা কেউ করতেছি না, ও যাদের গরু তারাই ওরে প্রস্তুতি করতেছে। ফয়সালকে দিয়ে রামশাম বুঝায়ে যখন আমাদের ভূগোল বুঝাইতে ব্যর্থ,
দিপু দাস আর বেঁচে নেই। ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে তাঁকে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে—এই নির্মম সত্য এখন দেশের বিবেকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি
হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশের রাজপথ যেমন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল, তেমনি উত্তাল হয়ে উঠেছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও। কিন্তু এই ক্ষোভ যখন যুক্তির সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের মতো