Blog

Home > Blog

মানবাধিকার কমিশনের বিরোধিতা করে রক্ত খাওয়া কুমিরদের আরও বেপরোয়া করে তুইলেন না যেন!

যেসব কথা ঘুরতেছে, যে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন আপনাকে জঙ্গি ট্যাগ দেবে। তা ভাই, গত ১৭ বছর দেশে জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে কম মানুষ মারছে? কারা মারছে? জাতিসংঘের কমিশন তো ছিল না

এই মুহূর্তে একটি “স্নায়ুযুদ্ধ” চলছে—যা বড় আন্দোলনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে

গোপালগঞ্জে লীগের তাণ্ডব; ইন্টেরিম ও অন্যরা? ৪ টি গুরুত্বপূর্ণ দিক *** (১) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় থাকলেও, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্তরে এখনো শেখ হাসিনার আমলের নিয়োগপ্রাপ্তরা রয়ে গেছেন। ফলে তাদের “গোপন লয়ালটি”

শান্তি-সম্প্রীতির পথে বাধা ধর্মীয় উগ্রবাদ ও উগ্র জাতীয়তাবাদ

সম্প্রতিকালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যে যুদ্ধ-বিবাদ লেগে আছে তা দুটো ভিন্ন কারণের উপর ভিত্তি করে; ধর্মীয় উগ্রবাদ অথবা উগ্র জাতীয়তাবাদ।১৯৪৭-এ ভারতীয় উপমহাদেশেও বিভাজন হয়েছিল ধর্মের উপর ভিত্তি করে। বর্তমানে ভারতীয়

মৌলবাদ বনাম মানবতাবাদ

মৌলবাদ মানে গোঁড়া সম্প্রদায়। ইংরেজি ফান্ডামেন্টালিজম শব্দের বাংলা অর্থ “মৌলবাদ” । ধর্মের আদি/মূল নীতি বা নিয়মগুলোর কঠোর অনুসরণই হল মৌলবাদ। এই ধারনাটির উৎপত্তি খ্রিস্টধর্মের প্রটেস্টান্ট থেকে। খ্রিস্টধর্মের ঊন-বিংশ শতাব্দীর শেষ

আইনের চোখে সবাই সমান হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটা কেবলই কেতাবি কথা। এখানে টাকাওয়ালা ক্ষমতাবানদেরকে আইন স্পর্শ করতে পারে না। তারা সকল সরকারের আমলেই নিজেদেরকে মানিয়ে নিতে পারেন অঢেল টাকার বিনিময়ে

বসুন্ধরা গ্রুপ দেশে বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। পাঁচটি মিডিয়া রয়েছে। তাদের আছে একটি টেলিভিশন, দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক, একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক। আছে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। ভূমিধস‍্যু হিসেবেও খ‍্যাতি রয়েছে।

মানুষের জানার আগ্রহ যেমন ঈশ্বর বা ধর্ম সৃষ্টি করেছে; একইভাবে অর্জিত জ্ঞান মানুষকে যুক্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ধর্মবিশ্বাস থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করেছে

বাংলাদেশে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের পাশাপাশি রাজনৈতিক ধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতার দ্বৈরথ আমরা লক্ষ্য করছি মুক্তিযুদ্ধের আগে পাকিস্তানি কলোনিকাল থেকে। সভ্যতার ঊষালগ্নে থেকেই আমাদের ভারতবর্ষে ধর্মের সঙ্গে নাস্তিকতা ও ইহজাগতিকার বিরোধ ছিল। পাকিস্তান পর্বে

মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া যে এই দেশে বড়ো “অপরাধ” তা কাওসার সাহেব হয়তো বুঝতে পারেননি?

মাওলানা কাউসারের লক্ষ্মীপুরের এক গ্রামের মসজিদের ইমাম ছিলেন তিনি। বয়স্ক এই মানুষটি সাধারণ ইমামদের থেকে একটু আলাদা। দেশ ও সমাজের প্রতি তার দরদ একটু বেশিই ছিল। সেই দায় ও দরদ

তাজউদ্দীন আহমেদ- মোর দ্যান এ ফ্রিডম ফাইটার 

তাজউদ্দীন আহমেদ এর নাম থেকে কখনো মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা সম্ভব না। তাজউদ্দীন আহমেদ ছিল মুক্তিযুদ্ধের আসল ডিরেক্টর এবং সবসময় সক্রিয় ছিলেন। তাজউদ্দীন আহমেদ দের মত কিংবদন্তি দের অবদান আমাদের

তাহলে কি আমরা জিয়াকে “বাঙ্গালী সেকুলার” বলতে পারি না?

পোশাক শিল্প খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিম্নবিত্ত সমাজে প্রলয়ংকরী অর্থনৈতিক, যৌন, এবং সামাজিক বিপ্লব ঘটে যায়। নিম্নবিত্ত নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা আসে এবং অসহায় কাজের মানুষ এবং মনিবের সম্পর্ক রিনেগোশিয়েটেড হয়।

এখনো সময় আছে, সবকিছু ভুলে ঐক্যবদ্ধ না হলে তোমাদের কোন অস্তিত্ব থাকবেনা

ওয়াকার তার আপুকে বলেছিলেন, আপনি যান, পরিস্থিতি একটু অনুকূলে আসলে আপনাকে নিয়ে আসবো। সেই অনুকূল সময়টা চলে এসেছে। গণধোলাইয়ের ভয়ে যে ওয়াকার তার আপুকে নিজের সিদ্ধান্তে পাঠিয়ে দিয়েছিল, সেই ওয়াকার

একেকটা মাদ্রাসা বিশেষ করে হেফজখানাগুলো যেন একেকটা টর্চার সেল

আপনারা শুনলে আশ্চর্য হবেন কিন্তু এটাই সত্যি,হেফজখানার শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড ধরা হয় শাস্তির বৈচিত্র্য আর মাত্রার উপর। যে হেফজখানা যত অভিনব পদ্ধতিতে শাস্তি দিতে পারে শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ডে সে তত উর্ধ্বে। এগুলো

ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদ নিয়ে যারা লেখালেখি করেন তারা দুটি সমস্যা এক করে দেখার পক্ষে?

সাম্প্রদায়িকতার অর্থ হলো, এক ধর্মের মানুষ বিশেষ বিশেষ কারণে অন্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদের ঘৃণা, বৈষম্য বা আক্রমণের লক্ষ্যে পরিণত করা। পক্ষান্তরে ধর্মীয় মৌলবাদী বলতে তাদেরকে বোঝানো হয় যারা নিজেরা ধর্মের